ঢাকারবিবার , ৫ জুলাই ২০২৬
  • অন্যান্য
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দামুড়হুদায় কাজী শামসুল হকের লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন ইউএনও কে স্মারকলিপি

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
জুলাই ৫, ২০২৬ ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

দামুড়হুদায় কাজী শামসুল হকের লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন, ইউএনও-কে স্মারকলিপি

​দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বিতর্কিত কাজী শামসুল হকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, বাল্যবিবাহ নিবন্ধন, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
​আজ রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও লাভলী ইয়াসমিনের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের রাশেদ আলী, আব্দুল কুদ্দুস ও মোরশেদ আলী। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, “কাজী শামসুল হক দীর্ঘদিন ধরে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের বেআইনিভাবে বাল্যবিবাহ নিবন্ধন করে আসছেন। পরবর্তীতে কনেপক্ষকে পুলিশ ও প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন তিনি। এ ছাড়া দেনমোহরের পরিমাণ বেআইনিভাবে বাড়ানো-কমানো এবং বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।”

​

বক্তারা আরও জানান, গত ৩ জুলাই জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন তার কার্যালয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কাজী শামসুল হক কৌশলে পালিয়ে যান। এ সময় তার দুই সহযোগীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানে কার্যালয়ের বিভিন্ন নথিপত্রে ব্যাপক অসংগতি পাওয়ায় অফিসটি সিলগালা করে দেয় প্রশাসন।

​
মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, এটিই কাজী শামসুল হকের প্রথম অপরাধ নয়। এর আগে দামুড়হুদার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদুর রহমানের দায়িত্বকালেও বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের দায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের সেই শাস্তির পরও তিনি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একই ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

​
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিন বলেন, “এলাকাবাসীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৩ জুলাই সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন নথিপত্রে অসংগতি পাওয়া গেছে। বিষয়টি কঠোরভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।”